Recent Posts

LightBlog

Breaking

Friday, December 2, 2016

2:14 AM

এই স্কুলে ভর্তি হওয়া হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও কঠিন

পৃথিবীর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হওয়া সবচেয়ে কঠিন কাজ? বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তালিকায় আসতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেধা যাচাই এবং ভর্তি প্রক্রিয়ার বিচার আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। কিন্তু এই বিখ্যাত হার্ভার্ডকেও পেছনে ফেলেছে আমেরিকার এক কিন্ডারগার্টেন! ছোট ছোট শিশুরা হার্ভর্ডের চেয়েও প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতিতে অংশ নেয়।
আমেরিকার বেশ কয়েকটি গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড পাবলিক এলিমেন্টারি স্কুলের মধ্যে একটি হান্টার কলেজ এলিমেন্টারি স্কুল। মাত্র ৪ বছর বয়সের শিশুরা এখানে ভর্তিযুদ্ধে নামে।
মূলত সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কের হান্টার কলেজের মাধ্যমে পরিচালিত হয় স্কুলটি। হান্টার কলেজ এলিমেন্টারি আমেরিকার কে-৬ স্কুল যা পাবলিক ফান্ডে চলে।
এতে ভর্তি হওয়ার একমাত্র উপায় কিন্ডারগার্টেন পর্যায়ে ঢুকতে হবে। এর অর্থ, একবার এতে সুযোগ হারালে আর কখনো ভর্তি হওয়া যাবে না। কিন্তু হার্ভার্ডে সে সুযোগ রয়েছে।
এখানে সেই শিশুরাই ভর্তি হয় যাদের বলা হয় গিফটেড চাইল্ড। এরা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি মেধাসম্পন্ন হয়ে থাকে। প্রতিবছর হান্টার বেছে  নেয় এমনই ২৫ জন মেয়ে এবং ২৫ জন ছেলে শিশুকে। গোটা ম্যানহাটান থেকে তাদের রীতিমতো ছেঁকে নেওয়া হয়। স্কুলের ওয়েবসাইটে বলা হয়, ২৫০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে ৫০ জন এখানে সুযোগ পায়। এখানে ২ শতাংশ শিশুর শিক্ষার্থী হিসাবে সুযোগ মেলে। কিন্তু হার্ভার্ডের আন্ডারগ্র্যাজুয়েটদের সুযোগ থাকে ৫.২ শতাংশ। অর্থাৎ, হান্টারে ভর্তির সুযোগ হার্ভার্ডের চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি কঠিন।
ভর্তির জন্য হান্টারের শিক্ষার্থীদের স্ট্যানফোর্ড-বাইনেট আইকিউ টেস্ট দিতে হয়। গতানুগতিক পদ্ধতিতেই এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু শর্ত আছে। এ পরীক্ষার জন্য শিশুদের কোনো প্রস্তুতি থাকা চলবে না। বাবা-মায়েরা কোনভাবেই তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক কোনো শিক্ষা দিতে পারবেন না। যদি কোনভাবে বোঝা যায়, শিশুটি প্রস্তুতি নিয়েছিল, তবে সে বাদ পড়বে।
এ পরীক্ষা সেরা নম্বরপ্রাপ্ত ২৫০ জনকে বেছে নেওয়া হয়। এদের নিয়ে পরীক্ষার পরবর্তী ধাপ শুরু হয়। প্রত্যেক শিশুকে আলাদাভাবে দেখা যায় তারা বড়দের বা শিক্ষকদের সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে নিতে শিখেছে। একজন শিক্ষক যেকোনো একজন শিশুকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
এখানকার পড়াশোনাও ভিন্ন ধাঁচের। প্রকৃতিপ্রদত্ত চরম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা প্রদানের কাজটিও নিশ্চয়ই সাধারণ হবে না। এদের শিক্ষা প্রদানে কোনো টিউশন ফি নেওয়া হয় না। এখান থেকে যারা বেরিয়ে আসেন, তারা দেশের সম্পদ হিসাবে বিবেচিত হন। যেমন- সুপ্রিম কোর্ট জাস্টিস এলিনা কাগানের নাম উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়। সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার
2:04 AM

যুক্তরাষ্টের টেনেসিতে দাবানলে নিহত ১০

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের গ্রেট স্মোকি পবর্তমালায় দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। বিবিসি বলছে, এখনো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দাবানলে বুধবার পর্যন্ত গ্রেট স্মোকি মাউন্টেইন্স ন্যাশনাল পার্কের ভেতরে এবং আশপাশের সব ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়, পরে বৃষ্টির সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
কর্মকর্তারা বলছেন, খরার মাস চলার কারণে আগুনে ভূমি চুড়ান্ত মাত্রায় শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। দাবানলে রিসোর্ট টাউন গ্যাটলিনবার্গের অন্তত ৩০০টি বাড়িসহ পুরো সেভিয়ার কাউন্টির সাত শ'রও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ মাত্র ১৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত অথবা পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছিল।
দাবানলে টেনেসির দু্টি ছোট অবকাশযাপন শহর হুমকির মুখে পড়েছিল। এর একটি গ্যাটলিনবার্গ ও এর আশপাশের প্রায় ১৪ হাজার বাসিন্দা দাবানলের কবল থেকে রক্ষা পেতে পালিয়ে যান।

Thursday, December 1, 2016

5:34 PM

মাচুপিচুর পিছনের ১০ রহস্য

আন্দিজ পর্বতমালার ওপর অবস্থিত ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচু পিচু নগর ধ্বংসাবশেষটি আবিষ্কৃত হয়েছে ১৯১১ সালে। ইন্ডিয়ানা জোনস ধরনের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিরাম বিংহাম এটি আবিষ্কার করেন। স্থানীয় এক বালক তাকে ১৪৫০ সালের দিকে নির্মিত এই নগরটিতে নিয়ে যায়। পরিত্যক্ত শহরটির সৌন্দর্য্য এবং মহিমা দেখে তিনি বিস্মিত হন।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এর ১৯১৩ সালের এপ্রিল ইস্যুতে বিংহাম তার এই আবিষ্কারের কথা সবাইকে জানান। এরপর থেকেই পর্যটক, গবেষক, অভিযাত্রীরা এর রহস্য উদঘাটনে তৎপর হন। অথবা এর প্রাচীন মহিমা উপভোগ করতে যান।
তবে এখনো মাচুপিচু এবং নির্মাতাদের ব্যাপারে অনেক রহস্যই অনুদঘাটিত রয়ে গেছে।
আপনিও পেরুর এই রহস্য উদঘাটনে যাত্রা শুরু করার আগে এখানে এ সম্পর্কিত কিছু রহস্য তুলে ধরা হলো:
১. এটি কখনো আবিষ্কৃত হবে তা ভাবা হয়নি
ইনকারা ভয়ে ছিল যে স্প্যানিশরা মাচুপিচু লটু করবে। ফলে তারা শহরটি নির্মাণের ১০০ বছর পরে ১৫৩২ সালে এটি ত্যাগ করে। আর স্প্যানিশদের সম্ভাব্য লুটপাট ঠেকাতে পথের জঙ্গল আগুনে পুড়িয়ে দেয়। যাতে পুনরায় গাছপালা ওঠার পর পাহাড়ে উঠার আগের পথটি ঢেকে যায়। তাদের ওই পরিকল্পনা কাজে লাগে এবং স্প্যানিশরা কখনো মাচুপিচু আবিষ্কার করতে পারেনি। ১৯১১ সাল পর্যন্ত এটি লুকোনো ছিল।
২. বিংহাম ভুল শহরটি আবিষ্কার করেছেন
প্রথমে বিংহাম ভেবেছিলেন তিনি ইনকাদের হারিয়ে যাওয়া শহর ভিলকাবাম্বা আবিষ্কার করেছেন। যা ইনকাদের একটি শক্তিশালি দূর্গ যেখানে থেকে ইনকা শাসকরা স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে এক বছর ধরে যুদ্ধ করেছেন। তবে ৫০ বছরের বিতর্ক শেষে বিংহাম ভূল বলে প্রমাণিত হন। জিনি সেভয় ১৯৬৪ সালে প্রমাণ করেন যে, সত্যিকার অর্থে ইনাকাদের হারিয়ে যাওয়া শহরটি ছিল এসপিরিতু পাম্পা, যা মাচুপিচুর পশ্চিমে অবস্থিত।
৩. বিংহাম ভেবেছিলে মাচুপিচু “ভার্জিন অফ দ্য সান” নামের একদল নারীর বাসস্থান
বিংহাম বিশ্বাস করতেন তিনি ইনকাদের পূর্বপুরুষদের জন্মস্থান পৌরানিক টাম্পু-টোকো আবিষ্কার করেছেন। তার বিশ্বাস ছিল মাচুপিচু ছিল “ভার্জিন অফ দ্য সান” নামের একদল স্বর্গীয় নারীর বাসস্থান যাদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন একদল পাদ্রি। যারা সূর্য দেবতার পুঁজা করতেন। কিন্তু পরে এই তত্ত্ব ভুল বলে প্রমাণিত হয়।
৪. মাচুপিচু হয়তো মূলত একটি অবসর বিনোদন শহর ছিল
একদল প্রত্নতাত্মিকের মতে মাচুপিচু রাজপরিবারের অবসর বিনোদনের জন্য বানানো হয়েছে। জন রোয়ে, রিচার্ড বার্গার এবং লুসি সালাজার উদঘাটন করেন, ইনকা শাসক পাচাকুটি ইনকা ইউপানকুয়ি মাচুপিচু শহরটি নির্মাণ করেন। ধারণা করা হয় তিনি হয়তো সুজকো শহরের ধকল থেকে নিস্তারের জন্য শহরটি তৈরি করেন।
৫. অবিশ্বাস্যভাবে বিচিত্র শহর
আন্দিয়ান সভ্যতা বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান বৌর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিককে বলেন, এমন প্রচুর সংখ্যক প্রত্নতাত্মিক নিদর্শন রয়েছে, মাচুপিচুতে শুধু ইনকারাই বাস করতেন না। গ্রামে যেহেতু কোনো বাজার ছিল না প্রত্নতাত্মিকরা ওই অঞ্চলজুড়ে থাকা লোকদের কাছ থেকে এমন সব সিরামিক আবিষ্কার করেছেন যেগুলো থেকে প্রমাণিত হয় নানা ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকেরা সেখানে বাস করতেন। অথবা অন্তত শহরটির ওপর দিয়ে অতিক্রম করতেন।
৬. ইনকারা ছিলেন দক্ষ পাথরশিল্পী
মাচুপিচুর বিশাল কাঠামো নির্মিত হয়েছিল চাকা, লোহার হাতিয়ার বা এমনকি মর্টার ব্যাতীত। নিখুঁতভাবে পাথর কেটে কেটে জোড়া লাগিয়ে শহরটি নির্মাণ করা হয়। এই পদ্ধতির নাম “অ্যাশলার ম্যাসনরি”। পেরু একটি ভুমিকম্পপ্রবণ এলাকা। আর মাচুপিচু দুটি ফল্ট লাইনের বা ভুমিকম্পের উৎপত্তি স্থলের ওপরে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও তা অক্ষত ছিল।
৭. শহরটির বেশিরভাগ অবকাঠামো লুকানো
এর বিস্ময়কর স্থাপত্য নিদর্শনের বেশিরভাগই মাটির নিচে লুকিয়ে রয়েছে। শহরটির ৬০ শতাংশই পাহাড়ি উপত্যকাজুড়ে মাটির নিচে চাপা পড়েছে।
৮. অন্তত দুটি গোপন মন্দির আছে
“চন্দ্র মন্দির” এবং “সূর্যের গুহা” সহজেই নজর এড়িয়ে যায়। চন্দ্র মন্দিরে যেতে হলে হুয়ায়না পিচ্ছু পাহাড়ের ওপরে এক ঘন্টা ধরে একটি সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। সূর্যের গুহা মাচুপিচুর কেন্দ্রেস্থলে লুকানো।
৯. এটি হয়তো কোনো একটি তীর্থযাত্রার রুটের অংশ ছিল
প্রথমদিকের অনেক আবিষ্কারক ভাবতেন মাচুপিচু ছিল একপিট নির্জন কেল্লা। আধুনিক প্রত্নতাত্মিকরা বিশ্বাস করেন এটি একটি প্রাচীন তীর্থযাত্রার রুটের অংশ। দুর্ভাগ্যক্রমে, স্প্যানিশরা চলে আসায় আর রুটটি সম্পন্ন করা হয়নি।
১০. মাচুপিচুতে এখনো অনেক প্রত্নতাত্মিক নিদর্শন আবিষ্কার ঘটে চলেছে
২০১৪ সালে ফরাসি আবিষ্কারক থিয়েরি জ্যামিন মাচুপিচুতে একটি নতুন দরজা আবিষ্কার করেন। তার বিশ্বাস দরজাটি মাচুপিচুর নির্মাতা ইনকা শাসক প্যাচাকুটি ইনকা ইউপানকুয়ির সমাধি চেম্বারের প্রবেশ পথ ছিল। পেরুর সরকার অবশ্য দরজাটি খুলতে দিচ্ছেন না। কারণ এতে প্রত্নতাত্মিক নিদর্শনের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে বলেই তাদের আশঙ্কা।
সূত্র: ফক্স নিউজ
5:31 PM

মৃত্যুর দুই হাজার বছর পরও অক্ষত চুল তক

রূপে তাঁর বয়স প্রভাব ফেলেছে ঠিকই! কিন্তু, এতটুকুও বিকৃতি ধরেনি মরদেহে। ত্বক রয়েছে যেমনটি জীবদ্দশায় ছিল নরম কোমল, ঠিক তেমনটিই! চুলে এখনও রয়েছে নিশীথ যামের ইশারা। কিছুই নষ্ট হয়নি কালের গ্রাসে। এভাবেই এখনও মানুষের মনে বিস্ময়ের সঞ্চার করেছেন চীনের দাই প্রদেশের এক রমণী। ইংরেজিতে যাঁকে ডাকা হয় লেডি অফ দাই নামে।
চীনের বেশ কিছু প্রদেশে এখনও অমর হয়ে রয়েছে এই দাই রমণীর প্রণয়গাথা। জানা যায়, তিনি বেঁচে ছিলেন হান বংশের শাসনকালে, নিবাস ছিল হুনান প্রদেশে। সেই প্রণয়গাথা আজও চীনা নাটক, লোকগীতির এক উজ্জ্বল সম্পদ। এভাবেই পচনহীন মরদেহ ছাড়াও লেডি অফ দাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রয়েছেন চীনা সংস্কৃতিতেও।
শোনা যায়, জীবদ্দশায় বেশ কিছু অসুখে ভুগতেন এই দাই রমণী। উচ্চ রক্তচাপ, আবদ্ধ ধমনী, রক্তে শর্করার আধিক্য- এসব তো ছিলই! সঙ্গে ছিল হৃৎপিণ্ডের সমস্যাও। শেষ পর্যন্ত ৫০ বছর বয়সে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যাওয়াতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই দাই রমণী। তার পরে তাঁর মরদেহ মমি করে কবর দেয়া হয়। যা এক প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযান চলা কালে এক পাহাড়ের গুহাসমাধি থেকে আবিষ্কৃত হয়।
প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানাচ্ছেন, প্রথা মেনে এই দাই রমণীকে সমাধিস্থ করার সময় ১০০টি মূল্যবান রেশম বস্ত্র, গয়না- এসবও সমাধি দেয়া হয়। এছাড়া রাখা হয় দাসদাসীদের ১৬০টি দারুমূর্তি। এই সবকিছুর সঙ্গে ২০টি রেশম বস্ত্রে মোড়া হয় মরদেহ। তার পর তা কয়লার গুঁড়ো ভর্তি চারটি কফিনে পর পর বন্ধ করা হয়। সবার শেষে মাটি দিয়ে বুজিয়ে দেয়া হয় কফিনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্রও! যাতে তা জল এবং বায়ুনিরোধক হয়ে থাকে।
এই প্রচেষ্টাতেই এখনও পর্যন্ত ত্বক, চুল নিয়ে অক্ষত রয়েছে দাই রমণীর মৃতদেহ। এমনকী অক্ষত রয়েছে শিরার ভেতরে রক্তও! জানা গিয়েছে, মৃতার ব্লাড গ্রুপ ছিল এ পজিটিভ। এছাড়া তাঁর মুখে পাওয়া গেছে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে খাওয়া খাদ্যকণাও! তিনি তরমুজ খেয়েছিলেন, যার অংশও এখনও অবিকৃত!
অবাক লাগছে তো? লাগারই কথা! তবে আমার-আপনার চেয়েও মনে হয় এই খবরে বেশি ধাক্কা পাবেন মিশরীয়রা। তাঁদের মমির গৌরব যে অতিক্রান্ত হতে চলল চিনের এই কারনামায়!
5:13 AM

অসুস্থ অবস্থায় যে নয় খাবার কখনোই খাবেননা

অসুস্থ অবস্থায় যে ৯ খাদ্য ও পানীয় এড়িয়ে চললে আপনি আরো ভালো থাকবেন:
১. কফি
কখন এড়িয়ে চলবেন: যে কোনো ধরনের রোগের কারণে সৃষ্ট অসুস্থতায়। তবে বিশেষ করে যখন পেটেন পীড়ায় আক্রান্ত হবেন।
কারণ: কফিতে থাকা ক্যাফেইন মূত্রবর্ধক খাদ্য উপাদান। ফলে কফি পান করলে আপনার বেশি বেশি প্রস্রাবের বেগ হতে পারে এবং পরিণতিতে আপনার দেহে পানিশুন্যতাও দেখা দিতে পারে।
এতে ভাইরাস এবং অন্য কোনো সংক্রমণজনিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল হয়ে আসে।
ডায়রিয়ার সময় ক্যাফেইন সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। দেহে পানিশুন্যতা তৈরি এবং পাকস্থলীর খাদ্য হজমকারী অংশের মাংসপেশিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে ক্যাফেইন ডায়রিয়াকে আরো তীব্র করে তুলতে পারে।
২. কমলার জুস
কখন এড়িয়ে চলবেন: যখন কাশি বা গলদাহ হবে।
কারণ: কমলার জুসে থাকা অ্যাসিড সাধারণত সতেজতা ফিরিয়ে আনে। কিন্তু যখন আপনার কাশি হবে বা ঠাণ্ডা লাগবে তখন এর অ্যাসিড আপনার গলায় আঘাত হানতে পারে।
এতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ইতিমধ্যেই আপনার প্রদাহে আক্রান্ত গলায় আরো বেশি জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে।
৩. মিষ্টান্ন
কখন এড়িয়ে চলবেন: যে কোনো ধরনের অসুস্থতায় তবে বিশেষ করে পেটের পীড়া হলে।
কারণ: পরিশোধিত চিনি আপনার রক্তের শ্বেতকনিকাগুলোর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা খর্ব করে। কুকি, ক্যান্ডি বা চিনিযুক্ত খাদ্যশস্য খাওয়ার পর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও দূর্বল হয়ে আসে।
ফলত, যেসব জীবাণু আপনাকে অসুস্থ করে তোলে সেসবের বিরুদ্ধে আপনার রোগ প্রতিরোধ পদ্ধতি নিজের কার্যকারিতা হারায়।
৪. সোডা
কখন এড়িয়ে চলবেন: যে কোনো ধরনের অসুস্থতায় তবে বিশেষ করে পেটের পীড়া হলে।
কারণ: কফির মতো ক্যাফেইনযুক্ত সোডাও দেহে পানিশুন্যতা তৈরি করে।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা খর্ব করে এবং হজমপ্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
৫. কুড়মুড়ে জলখাবার
কখন এড়িয়ে চলবেন: কাশি বা গলদাহ হলে।
কারণ: পটেটো চিপস, গ্র্যানোলা বা ক্রিসপি টোস্ট আপনার গলায় শিরিষ-কাগজের মতো লাগবে। আর আপনি গলাকে যত বেশি জ্বালাতন করবেন আপনার সুস্থ হতেও তত বেশিই সময় লাগবে। ফলে আপনার দুর্দশা শুধু দীর্ঘায়িত হবে।
৬. অ্যালকোহল
কখন এড়িয়ে চলবেন: যে কোনো ধরনের অসুস্থতায় তবে বিশেষ করে পেটের পীড়া হলে।
কারণ: অ্যালকোহলও মূত্রবর্ধক। ফলে পানিশুন্যতাজনিত রোগের মাত্রাকে আরো তীব্র করে।
এছাড়া অ্যালকোহল হজম প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে যার ফলে পাতলা পায়খানা এবং ডায়রিয়া আরো তীব্র রুপ ধারণ করতে পারে।
৭. দুধ
কখন এড়িয়ে চলবেন: কফ জমে গলায় গলা ও বুকে গুমোট এবং জমাট বাধলে।
কারণ: দুধে খেলে দেহে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা বা কফ তৈরি হয়। কিন্তু কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ নেই যে, দুধ কম খেলে শ্লেষ্মা বা কফ উৎপাদনও কমে আসে।
তবে অনেকে দুধ খাওয়ার ফলে তাদের কফ গাঢ় হওয়ার কথা বলেছেন। আপনারও যদি তেমন সমস্যা হয় তাহলে দুধ এড়িয়ে চলুন।
৮. ভাজা বা চর্বিযুক্ত খাবার
কখন এড়িয়ে চলবেন: পেটের পীড়া হলে।
কারণ: চর্বিযুক্ত খাবার হজম হতে দীর্ঘ সময় লাগে। এর ফলে তীব্র বমির উদ্রেক হতে পারে এবং গলা ও বুক দিয়ে অ্যাসিড উদগীরণ হয়ে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।
এসব খাবার ডায়রিয়ার তীব্রতাও বাড়ায়।
৯. মশলাযুক্ত খাবার
কখন এড়িয়ে চলবেন: সর্দি হলে।
কারণ: লাল মরিচ ও ঝাল সসে আছে ক্যাপসাইসিন নামের একটি উপাদান যা আপনার নাসারন্ধ্রকে আরো উত্তেজিত করে সর্দির তীব্রতা বাড়াবে।
সুতরাং আপনি যদি ইতিমধ্যেই সর্দিতে আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং আপনার নাক দিয়ে পানি পড়ে তাহলে মশলার এসব উপাদান আপনার নাক দিয়ে পানি পড়া আরো বাড়াবে।
অন্যদিকে, আপনার বুকে যদি কফ জমা হয়ে থাকে তাহলে মশলা সেগুলোকে তরলায়িত করে পরিষ্কার করবে যাতে আপনার আর শ্বাস নিতে কষ্ট হবে না।
সূত্র: ফক্স নিউজ
12:36 AM

কন্ট্রক্ট লেন্স পরে ঘুমালে দৃষ্টি শক্তি হারাবেন

আপনি যদি নিয়মিত কন্টাক্ট লেন্স পরের তাহলে কোনো একটা সময়ে তা পরা অবস্থায়ই আপনার ঘুমিয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। আমাদের সকলেই জানি ডাক্তাররা বিষয়টির অনুমোদন করবেন না। কিন্তু কেন? কন্টাক্ট লেন্স পরে ঘুমালে আপনার চোখের কী সমস্যা হয়?
চোখে কন্টাক্ট লেন্স পরার তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমাদের দেহের কিছুটা সময় লাগে। এটি অনেক সময় চোখে জ্বালাপোড়া এবং শুষ্কতা তৈরি করতে পারে। শুষ্ক চোখে কন্টাক্ট লেন্স পরলে তা আরো চোখটি আরো শুকিয়ে যেতে পারে।
আর রাতে যখন আমার ঘুমিয়ে থাকি তখন চোখের কর্নিয়াতে পরিবেষ্টনকারী অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। যা কর্নিয়ার স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি। তবে এরপরও রক্তের শিরার মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও তা পরিমাণে খুবই কম। আর কন্টাক্ট লেন্স পরা থাকলে তা কর্নিয়াতে অক্সিজেন সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এতে আপনি হাইপোক্সিয়ায় আক্রান্ত হবেন।
এছাড়া আপনি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও আক্রান্ত হতে পারেন। কারণ ঘুমানোর পর কর্নিয়াতে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করলে তা ধুয়ে ফেলার আর কোনো উপায় থাকে না। ব্যাকটেরিয়া আপনার কর্নিয়া খেয়ে ফেলতে পারে। আর এর সবচেয়ে মারাত্মক পরিণতি হতে পারে দৃষ্টিশক্তি হারানো।
সূত্র: ফক্স নিউজ
12:23 AM

স্মাটফোন নিয়ে উন্মাদনার দিন শেষ...

এ বছরই বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোনের উন্মাদনা অনেকটা কমে এসেছে। কারণ এর বিক্রির হার আর আগের মতো উর্ধ্বগতিতে নেই। অবশ্য ৪জি স্মার্টফোনের বাজার এখনো আশা ছড়াচ্ছে নির্মাতাদের।
২০১৬ সালে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন বিক্রির সর্বসাম্প্রতিক ফোরকাস্ট করেছে ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন (আইডিসি)। এই মার্কেট রিসার্ট ফার্ম জানায়, বিশ্বে স্মার্টফোন শিপমেন্ট হয়েছে ১৪৫ বিলিয়ন ইউনিট। প্রতিবছর এই সংখ্যার বৃদ্ধি পায়। এ বছর বৃদ্ধির হার ০.৬ শতাংশ। কিন্তু এই বৃদ্ধি হার ২০১৪-২০১৫ সালের চেয়ে ১০.৪ শতাংশ কম।
এদের মধ্য একমাত্র আশা জাগাচ্ছে ৪জি স্মার্টফোন। এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে মানুষের। ২০১৬ সালে ৪জি স্মার্টফোনের বিক্রি হার বেড়েছে ২১.৩ শতাংশ। এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, সেন্ট্রাল ও ইস্টার্ন ইউরোপে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান বাজারের কারণে এই বিক্রি বেশ বেড়েছে।  ২০১৫ সালে ৪জি স্মার্টফোনের ৬১ শতাংশ বিক্রি হয়েছে এসব অঞ্চলে। এ বছরের মধ্যে এসব অঞ্চলেই ৭৭ শতাংশ শিপমেন্ট হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে স্মার্টফোন বিক্রি কমে এসেছে আমেরিকা, চীন এবং পশ্চিম ইউরোপে। গত বছর বিক্রির হার এক অঙ্গে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এ বছর বিক্রি আরো কমে এসেছে।
এ পরিস্থিতিতে বেগতিক অবস্থায় পড়েছে অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের মতো বড় নির্মাতারা। এরা তাদের পণ্য বিক্রির হার ব্যাপক কমে এসেছে বলে খেয়াল করছে। এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে স্যামসাংয়ের বিক্রি ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে। এসব তথ্য দেয় মার্কেট রিসার্চ ফার্ম গার্টনার। বিশেষ করে স্যামসাংয়ের সর্বসাম্প্রতিক ব্যর্থতা গ্যালাক্সি নোট ৭ এর ব্যাটারির সমস্যা টেক জায়ান্টকে বেশ বিপদেই ফেলেছে। ওদিকে অ্যাপলের বিক্রির হার ৬.৬ শতাংশ কমেছে। যদিও তাদের নতুন আইফোন ৭ বেশিদিন হয়নি বাজারে এসেছে।
এর কারণটা কি হতে পারে? এর বিশ্লেষণ বিশাল হবে। তবে এক কথায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রেতারা স্মার্টফোনের অবসাদে আক্রান্তা হয়েছেন। ফোনে আকর্ষণীয় ফিচারের অভাবে তারা একঘেয়ে হয়ে পড়েছেন। এ ছাড়া মোবাইল বিক্রির ক্যারিয়ারগুলো পুরো খুচরা মূল্যে ক্রেতাদের পণ্য কিনতে বাধ্য করছে। ফলে বিক্রি কমে আসবে এটাই স্বাভাবিক। সূত্র: সি নেট