Recent Posts

LightBlog

Breaking

Monday, November 28, 2016

6:05 PM

মিথ্যেবাদী আলিয়া

যখন তিনি স্কুলে পড়তেন, তাঁকে সবাই বলত মিথ্যেবাদী। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে বলতে গিয়ে একথা জানান আলিয়া।
উড়তা পঞ্জাবে আলিয়ার পারফর্ম্যান্স দেখে অবাক হয়েছিল অনেকেই। ডিয়ার জিন্দেগিতে আবার আলিয়াকে ডি-গ্ল্যাম রোলে দেখা গেল। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আলিয়া জানিয়েছেন, ডিয়ার জ়িন্দেগি ও উড়তা পঞ্জাবের মতো ছবিতে অভিনয় করতে পেরে তিনি খুশি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তিনি গ্ল্যামারাস রোলে অভিনয় করতে পারবেন না। তিনি করিশমা কাপুর ও গোবিন্দর নাচ দেখে বড় হয়েছেন। তার উপর তাঁর ক্যারিয়ারও গ্ল্যামারাস রোল দিয়ে শুরু হয়েছে।
তবে ডি-গ্ল্যামরাস রোল চ্যালেঞ্জিং বলে জানিয়েছেন আলিয়া। বলেছেন, তিনি অফ বিট ছবি করতে চান। কিন্তু সেই সঙ্গে অন্য ধরনের ছবিও করতে চান। মহেশ ভাট তাঁকে বলেছিলেন, সবাই বলে  আমি অন্য ধরনের কিছু করতে চাই। কিন্তু তুমি কি জান, তোমার ধরনটা কী?
এরপরই আলিয়া বলেছেন, স্কুলে তাঁকে মিথ্যেবাদী বলা হতো। কারণ তিনি গল্প বানাতেন। সেগুলো স্কুলের বন্ধুদের শোনাতেন। তিনি অবসেসিভ ন্যারেটর ছিলেন। তাঁর জীবনে গল্প ছিল সবার আগে। আলিয়ার মনে হয় তিনি তাঁর সিনেমার চরিত্র বিচার করতে পারেন কারণ তিনি গল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকেন।
ডিয়ার জ়িন্দেগিতে তাঁকে ব্রেক আপ ও তার পরবর্তী অবস্থায় একটি মেয়ে কেমন থাকে, সেই চরিত্রে দেখা যাবে। আলিয়া জানিয়েছেন, ব্রেক আপ থেকে বেরোনোর নির্দিষ্ট কোনও ফর্মুলা নেই। তবে তাঁর ব্যক্তিগত মত হল, তাঁর যদি ব্রেক আপ হয় তিনি কোথাও ঘুরতে যাবেন বা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলবেন। তবে এর মানে এই নয় যে আমার অনেক ব্রেক আপ হয়েছে।
5:52 PM

ড.ইউনুছ ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব তলব

গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরিবারের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং তাঁর সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব বা যেকোনো ধরনের তথ্য থাকলে তা জানাতে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার চিঠিটি বিভিন্ন ব্যাংকে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
এর আগে গত সপ্তাহে ড. ইউনূস ও তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকেও ইউনূস দম্পতির ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাংক হিসাবও তলব করা হয়েছে। মূলত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়কর ফাইলে থাকা তথ্যের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্যের মিল রয়েছে কি না, তা যাচাই করার জন্যই এনবিআর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ব্যাংকটিতে এমডির দায়িত্ব পালন করে আসা ড. ইউনূস ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পান। তবে অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে ২০১১ সালে সরকার তাঁকে এমডি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ইউনূস উচ্চ আদালতে গেলে হেরে যান সেখানেও। ওই সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ইউনূসের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে সরকারকে চাপ দেন। উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্যে দেখা যায়, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অর্থ দিয়েছেন ড. ইউনূস।
২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সরকারের পক্ষ থেকে ড. ইউনূস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফাইলপত্র নিয়ে খুব বেশি নাড়াচাড়া হয়নি। তবে দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের পক্ষ থেকে তিন দফায় পরিবারসহ তাঁর ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টিকে তাৎফর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
গত ১৭ নভেম্বর এনবিআরের গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) থেকে ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্টসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি ইস্যু করা হয়। ওই চিঠি গতকাল বিভিন্ন ব্যাংকে পৌঁছেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউনূস ফ্যামিলি ট্রাস্ট ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আয়করসংক্রান্ত অনুসন্ধান, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যাংকসহ যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ওই করদাতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং তাঁর সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব বা অন্য যেকোনো ধরনের তথ্য সংগ্রহসহ যাবতীয় কার্যক্রমের জন্য সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্বের (আহরণ) স্বার্থে অতীব জরুরি বিবেচনা করে তাঁদের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
১৭ নভেম্বর সিআইসির ইস্যু করা আরেকটি চিঠি গত সপ্তাহে ব্যাংকগুলোতে পৌঁছেছে। তাতে গ্রামীণ ব্যাংকের আয়করসংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান, তদন্ত কার্যক্রমসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যাংকসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের একক বা যৌথ নামে পরিচালিত এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন সংশ্লিষ্ট যেকোনো হিসাব অথবা অন্য যেকোনো ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। মূলত গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ড. ইউনূসের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের তথ্য এ প্রতিবেদনেতে উঠে আসবে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা।
এরপর গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে পাঠানো এক চিঠিতে ড. ইউনূস ও তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের হিসাবের সব তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত বছরের ২৩ মার্চ ১৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ‘দান কর’ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ড. ইউনূসকে নোটিশ দিয়েছিল এনবিআর। ওই সময় সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল নোটিশে। ওই সময় ইউনূস বিদেশে থাকায় তাঁর প্রতিনিধি কর কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে ব্যাখ্যা দেন।
5:44 PM

বাবার আদর ছেলেমেয়েদের শিক্ষায় দক্ষ করে তোলে


বাবার আদর আদর্শ সন্তান গড়ে তুলতে সহায়তা করেবিশেষ কিছু ক্ষেত্রেও ওষুধের মতো কাজ করে। টিনএজারদের লেখাপড়ায় ভালো করতে পারে  বাবার আদর। এক গবেষণায় বলা হয়, বাবার আদর পেলে ছেলেরা ভাষা জ্ঞানে এবং মেয়েরা গণিতে পাকা হয়ে উঠতে পারে।
গবেষণায় দেখা যায়, নিম্ন আয়ের পরিবারে বাবার আদর সন্তানকে অনেক বেশি আশাবাদী, আত্মনির্ভরশীল এবং লেখাপড়ায় ভালো ফল অর্জনে সহায়তা করে। এমনকি বাবা কম শিক্ষিত হলেও তার আদরই যথেষ্ট। এদের  সন্তানরা হোমওয়ার্ক অন্যদের চেয়ে মনোযোগের সঙ্গেই করে।
আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষক মেরি-অ্যানা সুইজো জানান, নিম্ন আয়ের বাবারা তার সন্তানকে নিজের ওপর বিশ্বাস আনতে শেখান। সন্তানরা ক্রমেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে ওঠে। এই ইতিবাচক বিষয়টি ছেলে-মেয়ে উভয় সন্তানকেই নানা দিক থেকে শক্ত প্রতিযোগী করে তোলে।
বাবার হৃদয়ের উষ্ণতা প্রথম অনুভবের পর মেয়েদের মনে আশাবাদ জন্মায়। এই অনুভূতি শিক্ষা অর্জনে ভালো ফলাফল আনতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করে তোলে। বিনিময়ে তারা গণিতে দক্ষ হয়ে ওঠে।
আবার ছেলেদেরও শিক্ষাজীবনে সফল হয়ে ওঠার সঙ্গে বাবার আদরের বিষয়টি বেশ জড়িত বলে মনে করা হয়। পিতার স্নেহে তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। ক্রমেই ভাষাগত জ্ঞানে দক্ষ হয়ে ওঠে তারা। এ ছাড়া আর্ট ক্লাসেও তারা ভালো করতে থাকে।
এ কারণেই শিক্ষায় উৎসাহ জোগাতে ছেলে-মেয়েকে যথেষ্ট স্নেহ দিতে বাবাকে পরামর্শ দেওয়া উচিত কাউন্সিলর এবং শিক্ষাবিদদের। এটা সন্তানের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব হয়ে দেখা দেয়। আবেগ এবং অন্যান্য বিষয়কে উন্নত করতেও বাবার স্নেহের প্রতাপের কথা তুলে ধরেছে বিশেষজ্ঞরা।
এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে 'সেক্স রোলস' জার্নালে। গবেষকরা ১৮৩ জন সিক্সথ-গ্রেডের শিক্ষার্থীদের বিবেচনা করা হয় যারা সবাই কম আয়ের পরিবার থেকে এসেছেন। এদের অনেকেই আবার সংখ্যালঘু কোনো গোত্রের মানুষ। পড়ালেখার কাজে তারা কতটা আশাবাদী এবং কেমন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের ভিত্তিতে এ গবেষণা সম্পন্ন হয়।
4:13 AM

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এ বাধা না দেওয়ার নির্দেশ চেয়ে রিট

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধা না দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহম্মদ উল্লাহর ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়। আদালত মঙ্গলবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দিয়েছে। রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু ইয়াহিয়া দুলাল এই রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র্রসচিব, আইজিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।
 
রিটে বলা হয়ে, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা বাঙালিরা যখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলাম তখন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এক কোটি বাঙালিকে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দিয়েছিল। তারা আমাদের খাবার, ওষুধ ও বস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে। ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ভারত সরকার আমাদের ওই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেছিল।
আজ স্বাধীনতা অর্জনের ৪৫ বছর পর ভারতের যেসব নাগরিক আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রেখেছে তাদেরকে আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা জানিয়েছি। কিন্তু মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নারকীয় হামলা ও হত্যাযজ্ঞের শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে আমরা বাধা দিচ্ছি। আমাদের উচিত ছিল বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনা করে সাময়িক সময়ের জন্য তাদের আশ্রয় দেওয়া এবং অনুপ্রবেশের বাধা না দেওয়া। রিটে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোও যুক্ত করা হয়েছে।
12:20 AM

খোলামেলা উর্বশী

বলিউডের বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী উবর্শী রাউটেলা। এবার একটি আইটেম গানে দেখা যাবে তাকে। গানটিতে নিজেকে খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করেছেন  উবর্শী। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

হৃতিক রোশানের পরবর্তী সিনেমা ‘কাবিল’। এ সিনেমায় কিশোর কুমারের গাওয়া ‘সারা জামানা’ শিরোনামের গানটি রিমেক করা হয়েছে। আর এই গানের সঙ্গে খোলামেলা উবর্শীকে দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন এ সিনেমার নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তা।

এ প্রসঙ্গে পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তা বলেন, ‘কাবিল সিনেমায় একটি আইটেম গান রয়েছে। এ গানে পাঁচ ফুট আট ইঞ্চি উর্বশী খোলামেলাভাবে হাজির হয়েছেন। এর আগে এতটা খোলামেলা হয়ে আর কোনো সিনেমায় কাজ করেননি তিনি।’

এর আগে ইয়ারানা সিনেমায় সারা জামানা গানে দেখা গিয়েছিল অমিতাভ বচ্চনকে। বিখ্যাত  এই গানে পারফর্ম করার কথা শুনে প্রথমে অনেকটা ভয়ই পেয়েছিলেন উবর্শী। তাই গানটি নিয়ে বেশ এক্সাইটেড এই অভিনেত্রী। এ প্রসঙ্গে উবর্শী বলেন, ‘এর আগে পুরো আইটেম গানে কাজ করিনি। গানটিতে পারফর্ম করতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

রোমান্টিক, অ্যাকশন, থ্রিলার ঘরানার ‘কাবিল’ সিনেমায় হৃতিক ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন, ইয়ামি গৌতম, রনি রায়, রোহিত রায়, গিরিশ কুলকার্নি প্রমুখ। সিনেমাটি আগামী ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পাবে।
12:00 AM

টানা ২৫ দিন তবলা বাজাবেন বাংলাদেশি





  1. তবলা তিনি অনেক বাজিয়েছেন। তবে এবার লক্ষ্য গড়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানো। এ জন্য তাঁকে অন্তত টানা ২৫ দিন বাজাতে হবে। এ লক্ষ্য নিয়েই গতকাল রোববার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তবলাবিশারদ সুদর্শন দাশ পূর্ব লন্ডনের মেনর পার্ক এলাকার শিভা মুনেতা সঙ্গম মিলনায়তনে বাজানো শুরু করেছেন।

স্থানীয় সময় গতকাল বিকেল চারটা থেকে বাজানো শুরু করেন সুদর্শন। এর আগে এক অনুষ্ঠানে শুভানুধ্যায়ী ও স্পনসররা সুদর্শনের রেকর্ড গড়ার এই আনুষ্ঠানিক চেষ্টার শুভকামনা করে।
হাতে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর রেকর্ডটি বর্তমানে ভারতের কুজলমান্নাম রামকৃষ্ণান নামের এক ব্যক্তির দখলে রয়েছে। ২০০৯ সালে ভারতের কেরালায় ৫ থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত টানা ৫০১ ঘণ্টা বাজিয়ে তিনি ওই রেকর্ড গড়েন।
এখন ৫০১ ঘণ্টার বেশি বাজালেই নতুন রেকর্ড হবে। তবে তবলাবিশারদ সুদর্শন চান কমপক্ষে ৫১০ ঘণ্টা বাজাতে। যাতে ওই রেকর্ড ভাঙতে কেউ সাহস না করে।
সুদর্শন দাশের পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়। অমূল্য রঞ্জন দাশ ও বুলবুল রানী দাশ দম্পতির সন্তান সুদর্শন চার বছর বয়স থেকেই চট্টগ্রামের আলাউদ্দিন ললিতকলা একাডেমিতে তবলায় তালিম নেওয়া শুরু করেন। ১৯৯০ সালে ফুলকুঁড়ি আয়োজিত সংগীত প্রতিযোগিতায় তবলায় স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আন্তকলেজ প্রতিযোগিতায় তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৯২ সালে চলে যান ভারতের শান্তিনিকেতনে। সেখানে পণ্ডিত বিজন চ্যাটার্জির কাছ থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৯৮ সালে ভারতের বোলপুরের শান্তিনিকেতন থেকে তাঁকে তবলাবিশারদ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানো সুদর্শন ২০০৪ সালে লন্ডনে প্রথম ‘তবলা অ্যান্ড ঢোল’ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে বর্তমানে ৫০ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। ২০০৮ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক তবলা প্রতিযোগিতায় তিনি দ্বিতীয় পুরস্কার রৌপ্যপদক লাভ করেন। আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করা সুদর্শন বর্তমানে নিউহাম ও টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে ‘মিউজিক ইন্সপেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে সুদর্শন জানান, গিনেস বুকে নাম তোলার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি তিন বছর ধরে চেষ্টা করছেন। সর্বশেষ তাঁকে টানা ১৫ দিন বাজানোর একটা অনুশীলনও করে দেখাতে হয়েছে। এরপর ১ আগস্ট গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এক ই-মেইল বার্তায় সুদর্শনকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অনুমোদন দেয়। তারাই প্রতিযোগিতার নিয়ম ও শর্তগুলো বাতলে দেয়।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাজ সারতে প্রতি ঘণ্টায় সুদর্শন মাত্র পাঁচ মিনিট বিরতি পাবেন। সে হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় তাঁর বিরতি মিলবে দুই ঘণ্টা। চাইলে বিরতির সময়গুলো জমিয়ে একসঙ্গে লম্বা বিরতি নেওয়া যাবে। তবলা বাজানোর সময়ও সুদর্শন ইচ্ছা করলে খেতে পারবেন। তবে তবলায় হাত চালানো বন্ধ করা যাবে না। অন্য কেউ তাঁকে খাইয়ে দিতে পারবেন।
সিসি টিভির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করবে গিনেব বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্তারা। এ ছাড়া পুরো প্রক্রিয়া দুটি ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করা হবে।
সুদর্শন বলেন, রেকর্ড গড়তে পারলে তাঁর কোনো আর্থিক লাভ হবে না। উল্টো ২৫ দিনের জন্য মিলনায়তন ভাড়া, নিরাপত্তারক্ষী ও আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। তবে সুদর্শনের এই উদ্যোগে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তিনি বলেন, রেকর্ড গড়তে পারলে একজন বাংলাদেশি হিসেবেই নামটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে উঠবে। সেটাই পরম পাওয়া।
আয়োজনটি সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত যে-কেউ মিলনায়তনে গিয়ে এই ঐতিহাসিক তবলা ম্যারাথনের সাক্ষী হতে পারবেন।

Sunday, November 27, 2016

9:47 AM

খলনায়ক থেকে হাজি ডিপজল


ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্রের পর্দায় এ অভিনেতাকে নেতিবাচন ও ইতিবাচক দুই চরিত্রে দেখা গেছে। তবে খল অভিনেতা হিসেবেই অধিক পরিচিত তিনি। তবে এবার নেতিবাচক চরিত্রে নয়, ‘হাজী জিপজল’ হয়ে পর্দায় আসছেন এ অভিনেতা।


জনপ্রিয় নির্মাতা কাজী হায়াৎ ‘হাজী ডিপজল’ শিরোনামের সিনেমার চিত্রনাট্য লিখছেন। এ সিনেমাটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা নজরুল ইসলাম খান। তবে নজরুল ইসলাম খান এখনো চুক্তিবদ্ধ হননি বলে  জানিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘কিছুদিন আগে ‘হাজী ডিপজল’ সিনেমা নির্মাণের জন্য আমাকে ডেকেছিলেন ডিপজল সাহেব। এ সিনেমা নিয়ে চূড়ান্ত কথা হয়েছে। তবে এখনো চুক্তি পত্রে সাইন করিনি।’

এছাড়াও আরো কয়েটি সিনেমার চিত্রনাট্য লেখার কাজ চলছে। এ গুলোতেও ডিপজল অভিনয় করবেন। আগামী বছরের শুরুর দিকে এ সব সিনেমার কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

নানা কারণে গত দুই বছর চলচ্চিত্রাঙ্গন থেকে দূরে থাকার পর চলতি বছরের ৮ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ডিপজল অভিনীত ‘অনেক দামে কেনা’ সিনেমাটি।


‘সতী কমলা’ সিনেমায় প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন ডিপজল। ‘টাকার পাহাড়’, ‘হাবিলদার’, ‘ডাকাত’সহ বেশ কিছু সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘তেজী’ সিনেমায় প্রথম খল চরিত্রে অভিনয় করেন এই অভিনেতা। এরপর অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।